থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি-ফানুস ওড়ালেই ব্যবস্থা
ডেস্ক রিপোর্ট ::
ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের আনন্দ করতে এবার নেয়া হচ্ছে কঠোর ব্যবস্থা। থার্টি ফার্স্ট নাইটে ফানুস ওড়ানো ও আতশবাজি ফোটানোকে কেন্দ্র করে ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। একারণে কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্তকতা করেছে। ফানুস ও আতশবাজি বিক্রি কিংবা ওড়ানো/ফোটানোর সময় হাতেনাতে ধরা পড়লেই ব্যবস্থা নেবে তারা। ডিএমপি বলছে, ফানুস ওড়ানো অবস্থায় অথবা আতশবাজি ফোটানো অবস্থায় কেউ যদি হাতেনাতে ধরা পড়ে তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০২২ সালে থার্টি ফার্স্ট নাইটের অনুষ্ঠান কেন্দ্র করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছিল মানুষের বাসাবাড়ির ছাদও। কিন্তু তাতেও থামিয়ে রাখা যায়নি উদযাপন। আতশবাজি আর ফানুসে ভরপুর ছিল ঢাকার আকাশ। একযোগে পটকা বা আতশবাজি ফোটানোও থেমে ছিল না। বিকট শব্দে কেঁপে উঠেছিল গোটা মহানগরী। অনেক শিশু ও বয়স্করা সে শব্দে অসুস্থ পর্যন্ত হওয়ার খবর মেলে। ফানুসের আগুন ছিটকে পড়ে বিভিন্ন এলাকায় আগুন লেগে ক্ষয়ক্ষতি হয়। অনেক ফানুস মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক তারের ওপর গিয়ে পড়ে। দুর্ঘটনা রোধে দুই ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হয় মেট্রোরেল চলাচল।
এবারও থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন করতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের ফানুস ওড়ানো, আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও মশাল মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ডিএমপি। তবুও পুরান ঢাকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গোপনে বিক্রি হচ্ছে ফানুস ও আতশবাজি। অনলাইনেও মিলছে এসব সামগ্রী।
ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে রাজধানীর যেসব এলাকায় ফানুস বিক্রি হয় সেসব জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেছে ডিএমপির বিভিন্ন থানা পুলিশ। স্থানীয় ফানুস বিক্রেতাদের গতবারের অগ্নিদুর্ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ফানুস বিক্রি না করতে অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া ডিএমপির প্রতিটি থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট থানাধীন এলাকায় যেন কোনোভাবে থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে ফানুস বিক্রি ও ওড়ানো না হয়। এছাড়া কেউ যদি ফানুস ওড়ায় বা আতশবাজি ফোটায় তাহলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।