শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ | জ্যৈষ্ঠ ১, ১৪৩৩

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
জ্যৈষ্ঠ ১, ১৪৩৩

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে মাঠ কাঁপাচ্ছেন গণমানুষের নেতা দিলীপ আগরওয়ালা

শাহাদত হোসেন

প্রকাশিত: ২০২৩-১২-৩১ ২০:২১:০৭

নিজস্ব প্রতিনিধি ::

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ আসন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির সদস্য  গণমানুষের নেতা দিলীপ কুমার আগরওয়ালা মাঠ কাপাঁচ্ছেন। এবার দিলীপ আগরওয়ালা চমক দেখাবেন, তিনিই বিপুল ভোটে জয় লাভ করবে এমনই প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন ভোটাররা। এ আসনের শহর থেকে শুরু করে গ্রাম-গঞ্জে, হাটে-বাজারে, চায়ের দোকানে, দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে সরব আলোচনা চলছে দিলীপ কুমার আগরওয়ালার ঈগল প্রতীক নিয়ে । 

জানা যায়, বাড়ি বাড়ি গিয়ে, তিনি যে জনসমর্থন সৃষ্টি করেছেন যা চোখে না দেখলে বোঝা যাবে না। দিলীপ কুমার আগরওয়ালার যে কোন পথসভা, কর্মী সমাবেশ, উঠান বৈঠক জনসমুদ্রে রূপ নেয়।   ভোটারা মনে করছেন,  এ আসনে হ্যামিলিয়নের বাঁশীওয়ালার হয়ে অবেহিলত এজনপদের হাল তিনিই ধরবেন।  বর্তমানে তার এতো জনপ্রিয় তৈরী হয়েছে। দিলীপ কুমার আগরওয়ালার প্রতি সকল শ্রেনী পেশার মানুষের ভালবাসার মুল কারনঃ তিনি কর্মী বান্ধব। তিনি পরোপকারী, তিনি গরীব দুঃখী মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে সকলের আস্থার একজন মানুষ হিসাবে পরিচিত লাভ করেছেন। অনেকেই আদর করে বলেন আমাদের এমপি! অনেকেই বলেন দিলীপ কুমার আগরওয়ালা মানেই চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের মানুষের স্বপ্নসারথি। জনপ্রিয়তাই তুঙ্গে থাকা নেতাকে নিয়ে সকলেই আশাবাদী ভােটারদের মধ্যে । 

সরিজমিনে ঘুরে জানা গেছে, দিলীপ কুমারের পক্ষে ব্যাপক জনসমাগম দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর নেতা-কর্মীরা।  দিলীপ কুমার আগরওয়ালার তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে পুরো নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন; দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। হাটে-মাঠে সর্বত্র এখন একটাই আলোচনাে শেষ পর্যন্ত কার গলায় যাবে জয়ের মালা। এবারের নির্বাচনী মাঠ জমিয়ে দিয়েছেন ঈগল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির সদস্য দিলীপ কুমারওয়ালা। তার কমীবাহিনী ঈগল প্রতীক নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে যাচ্ছেন। দিলীপ কুমারও বিভিন্ন উঠোন বৈঠক, মিছিল ও পথসভায় অংশ নিচ্ছেন। ভিড়ে ঠাসা এসব সভায় তিনি চুয়াডাঙ্গার উন্নয়ন ও দুর্নীতি নির্মূল করার ডাক দিয়েছেন। স্বচ্ছ রাজনীতিক দিলীপ কুমারের আহবানে নড়েচড়ে বসেছেন ভোটাররা।  হাজার হাজার সাধারণ মানুষ তার সভায় হাজির হচ্ছেন, মিছিলে অংশ নিচ্ছেন। এদিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সিংহভাগই দিলীপ কুমারের পক্ষে প্রচারনার অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরমেয়রসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সাবেক চেয়ারম্যানরাও প্রকাশ্য জনসভায় দিলীপ কুমারকে ভোট দেওয়ার আহবান জানাচ্ছেন। এ ছাড়াও উপজেলা যুবলীগ, কৃষক লীগ, যুব মহিলা লীগ,  ছাত্রলীগের হাজারো নেতা- কর্মী তার পক্ষে জনসংযোগ করছেন।  ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সিংহভাগ নেতাই দিলীপ কুমারের পক্ষে প্রচারণা শুরু করায় জনস্রোত বাড়ছে তার সভা ও মিছিলে। ক্রমছে ভিড় বাড়ছে তার জনসংযোগ কর্মসূচীতে। 

এদিকে জানা গেছে, দিলীপ কুমারের জনসমর্থন বাড়তে দেখে বর্তমান সংসদ সদস্য ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ছেলুন জোয়ার্দারের কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। ঈগল প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার দেখে তার পোস্টার, ব্যানার ছিড়ে ফেলছেন ছেলুন জোয়ার্দারের কর্মীরা। কিন্তু এসব বাধা উপেক্ষা করে একের পর এক এলাকায় ছুটে বেড়াচ্ছেন দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। 

অসংখ্য ভোটারদের সঙ্গে আলাপচারতায় একটি বিষয়ই উঠে এসেছে, দিলীপ কুমার এমপি হলে এলাকার উন্নয়ন হবে। তাই তাকেই ভোট দেবেন। কেন দিলীপ কুমারকে ভোট দেবেন জানতে চােইলে তারা এই প্রতিবেদককে জানান, প্রথমত দীর্ঘ বছরের পর বছর ধরে এই এলাকায় তিনি বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবাদান, দু:স্থদের সহায়তা, শিক্ষার্থীদের বেতন ও বৃত্তি প্রদানসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। তিনি এমপি হলে এ ধরনের সেবার পরিধি আরো বাড়বে। সাধারন মানুষ আরো বলছেন, আওয়ামী লীগ নেতা দিলীপ কুমার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের আস্থাভাজন ব্যক্তি। বছরভর আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে তারা সম্পৃক্ততা, যোগাযোগ থাকে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও সচিবদের সঙ্গেও তার নিবিঢ় যোগাযোগ ও গভীর সখ্যতা রয়েছে। সর্বোপরি তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন আস্থাভাজন সৈনিক।  তিনি এমপি হলে দল ও সরকারের সঙ্গে থাকা সুসম্পর্ক কাজে লাগিয়ে এলাকার জন্য বড় বড় প্রকল্প নিয়ে আসতে পারবেন। ফলে গত ১৫ বছরে এ আসনে যে উন্নয়ন স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে তার অবসান ঘটবে। ভোটাররা বলছেন, দিলীপ কুমার দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী হওয়ার এখানে ব্যবসা বাণিজ্যের পরিসর বাড়বে। ফলে সৃষ্টি হবে নতুন নতুন কর্মসংস্থান। সর্বোপরি দিলীপ কুমার এমপি হলে টির আর, কাবিখাসহ সরকারের সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পে কোন দুর্নীতি ও আার্থিক নয়-ছয় হবে না। বন্ধ হবে চাঁদাবজি, টেন্ডারবাজি ও মাস্তানি।  এর সুফল পাবেন দরিদ্র মানুষ। স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও বলছেন, দিলীপ কুমার এমপি হলে এলাকাবাসী উপকৃত হবেন। এটা বুঝেই তার পক্ষে জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

ঈগল প্রতীকের গণজোয়ার দেখে জেলার রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, এতোদিন ছেলুন জোয়ার্দারের কোনো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় তিনি বিগত নির্বাচনগুলোতে সহজে জয় পেয়েছেন। কিন্তু এবার দিলীপ কুমার জনপ্রিয়তায় ছেলুন জোয়ার্দারকে ছাড়িয়ে গেছেন। সাধারন ভোটাররাও বলছেন, এবারের নির্বাচনে জনসমর্থনে দিলীপ কুমার স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকলে এবার চুয়াডাঙ্গা-১ আসন থেকে সংসদে পা রাখবেন তিনি।


SStv