মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা, ২ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৭
বগুড়া প্রতিনিধি ::
বগুড়া সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) ফিরোজা পারভীন ও রোগীবাহী মিনিবাসে হরতাল সমর্থকরা হামলা চালিয়েছেন। এতে রোগীবাহী মিনিবাসে থাকা ৩ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গুলি ছোড়ে। এতে দুই শিশু ও পাঁচ হরতাল সমর্থক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে বাঘোপাড়া খোলারঘরে এ ঘটনা ঘটে। পরে বাঘোপাড়ার উত্তরপাড়া জামে মসজিদ থেকে ডিবি পুলিশের সদস্যদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। এ সময় মাইকে বলা হয়, ‘ডিবি পুলিশের ভাইয়েরা আপনারা এলাকা থেকে চলে যান। আপনাদের গুলিতে শিশুরা আহত হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে, এলাকাবাসীও সরে যান।’
এর পরই শত শত ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী পুলিশ ও সাংবাদিকদের ওপরে হামলা চালান। এ সময় তিন সাংবাদিক ও দুই ডিবি পুলিশের সদস্য আহত হন। গোকন ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়ার কথা সত্য। তবে কে বা কেন এ ঘোষণা দিয়েছেন তা জানিনা। এলাকার পরিস্থিতি এখনও থমথমে। এলাকাবাসী কাউকেই ঢুকতে দিচ্ছেন না।’ গুলিবিদ্ধ শিশুরা হলো- বগুড়া সদর উপজেলার বাঘোপাড়া খোলারঘরে আব্দুর রবের ছেলে মহিউদ্দিন মাহি (৮) ও মাকসুদুরের ছেলে আওলাদ (১৫)।
তাদের মধ্যে শিশু মাহি বেসরকারি টিএমএসএস মেডিকেল কলেজে ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাকি পাঁচজনের নাম পরিচয় জানা যায়নি। বগুড়া ডিবি পুলিশের ওসি মোস্তাফিজ হাসান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি করতে বাধ্য হয়েছে। তারা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করে। অতিরিক্ত ফোর্স পাঠানো হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।