সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ | আষাঢ় ১৬, ১৪৩৩

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
আষাঢ় ১৬, ১৪৩৩

কক্সবাজার জেলা কারাগারে দূর্নীতি-নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র

কক্সবাজার জেলা কারাগার এখন সংশোধনাগার নয়, বরং দুর্নীতি আর নির্যাতনের কেন্দ্র! জেলার আবু মুছার নেতৃত্বে এখানে টাকাই ন্যায়বিচার নির্ধারণ করে। ভালো সিট, মানসম্মত খাবার, এমনকি স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ—সবই কিনতে হয় মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে। আর যার টাকা নেই? তার জন্য অপেক্ষা করছে ভয়াবহ নির্যাতন, ডান্ডাবেরীর শেকল কিংবা ‘বুট-ছোলা চোর’ অপবাদ! কারা হাসপাতালও আর চিকিৎসার জায়গা নয়, বরং প্রভাবশালী ইয়াবা কারবারিদের বিলাসবহুল বিশ্রামাগার। অসুস্থ বন্দিরা ন্যূনতম চিকিৎসার আশায় ছটফট করলেও, তাদের কপালে জোটে অবহেলা আর অবর্ণনীয় কষ্ট। আইনের শাসন এখানে কেবলই এক অলীক কল্পনা—বাস্তবে চলছে নিষ্ঠুর বাণিজ্য। অসহায় বন্দিরা টাকার বাজারে বিক্রি হচ্ছে, আর কর্তৃপক্ষ নির্বিকার! কারাগারের এই অন্ধকার গলিপথে মানবাধিকারের আলো কি কখনো পৌঁছাবে? এমন প্রশ্ন বন্দিদের। সম্প্রতি অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এই কারাগারের ভয়ংকর এক বাস্তবতা।

মোঃ রিদুয়ানের নেতৃত্বে সীমান্তে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি ও অবৈধ ব্যবসার রাজত্ব!

কক্সবাজারের সীমান্ত এলাকায় মোঃ রিদুয়ান (পিতা: ফরিদ আলম) নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি ভয়ংকর চক্র দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিজেকে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোক পরিচয় দিয়ে তিনি এলাকার মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছেন, সীমান্তে অবৈধ ব্যবসা চালাচ্ছেন এবং যারা তার বিরুদ্ধে কথা বলে তাদের উপর ভয়াবহ নির্যাতন চালাচ্ছেন। তার এই অপরাধের জাল এতটাই বিস্তৃত যে, ভুক্তভোগীরা মুখ খুলতে ভয় পান, কারণ তারা জানেন – রিদুয়ান ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা প্রতিশোধ নিতে দেরি করবে না।

sstv