নকল ও ভেজাল ওষুধ জব্দ
ওষুধ মাফিয়া লিটন নন্দীর দোকানে ওষুধ প্রশাসনের অভিযান
লিটন নন্দী দোকানে ওষুধ প্রশাসনের অভিযান ॥
বিশেষ প্রতিনিধি :
ওষুধ মাফিয়া মালিক লিটন নন্দীর ওষুধের দোকানে অভিযান পরিচালনা করেছেন ওষুধ প্রশাসন। এসময় নকল ওষুধ জব্দ করেছে প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মিটফোর্ড এলাকার ওষুধের মার্কেটে লিটনের মালিকাধীন নন্দী ড্রাগ হাউসের দোকান ও গুদামে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর এ অভিযান করেন। ওষুধ উৎপাদনকারী বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লিটন নন্দীর অসাধু সম্পর্ক এবং ভেজাল ও নকল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে ঢাকা বিভাগীয় মতিঝিল ওষুধ অধিদপ্তর থেকে এ অভিযান করা হয়।
লিটন নন্দী দীর্ঘদিন ধরে চতুরাতার সঙ্গে ভ্যাট ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে জেনারেল ফার্মার ঔষধের মজুদনসহ নির্ষিদ্ধ টাপেন্ডাটল মাদক বিক্রি করে আসছিলেন। এমনকি সরকারি ও এনজিওর ওষুধ লোকাল বাজারে বিক্রি নিষিদ্ধ থাকলে তা মানছেন না লিটন নন্দী। এসব ওষুধ নামমাত্র টাকা কিনে চড়া দামে সরবরাহ করছেন বিভিন্ন বাজারে। এছাড়া তার প্রতিষ্ঠান রেডিসান ল্যাবরেটরিজে নকল ওষুধ উৎপাদন করার অভিযোগ রয়েছে।
বিষয়টি সতত্যা স্বীকার করে ঢাকা বিভাগীয় মতিঝিল ওষুধ অধিদপ্তর উপপরিচালক হোসাইন মোহাম্মদ ইমরান বলেন, বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে মিটফোর্ড এলাকায় নন্দী ড্রাগ হাউসে অভিযান করা হয়। এসময় বেশ কিছু ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। ওষুধগুলো পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ওষুধগুলো পরীক্ষার করার পর এবং তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে লিটন নন্দীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রাপ্ত সূত্র জানায়, মিটফোর্ড ওষুধ বাজারকে কেন্দ্র করে সরকারি সম্পত্তি হিসেবে বরাদ্দকৃত ওষুধ, এনজিও প্রকল্পের ওষুধ এবং অনুমোদনহীন ওষুধের অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন লিটন নন্দী ও তার সিন্ডিকেট। অবৈধ বাণিজ্যের কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং নিষিদ্ধ ওষুধ মজুদ ও বিক্রির দায়ে ৪১ দিন কারাগারে ছিলেন। জেল বেরিয়ে আবারো নকল ওষুধ সিন্ডিকেট বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বনে গেছেন শত কোটির টাকার মালিক।
অভিযােনের বিষয়ে জানতে লিটন নন্দী সঙ্গে যোগাযোগ করা তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।