রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬ | শ্রাবণ ৩, ১৪৩৩

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শ্রাবণ ৩, ১৪৩৩
হত্যা মামলার আসামী ও কারাবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

গাজীপুরের জেল সুপাররফিকের ভয়াবহ দুর্নীতি ও অনিয়ম

শাহাদত হোসেন

প্রকাশিত: ২০২৬-০৭-১৮ ১৭:৩৮:৫৫

বিশেষ প্রতিনিধি ::

জেল সুপার রফিক কাদেরের একক আধিপত্যে চলছে  গাজীপুর জেলা কারাগারে। কোনো ক্রমেই থামানো যাচ্ছে না তার দুর্নীতি ও অনিয়ম।  আওয়ামীলীগ ফ্যাসিবাদের সহযোগী এ জেল কর্মকর্তা বিরুদ্ধে রয়েছে নানা বির্তক। সম্প্রতি জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদেরের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বন্দিদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যা  বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কারাগারের বিভিন্ন সুবিধা পেতে বন্দিদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে অর্থ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তিনি অবমুক্ত না হয়ে এখনও বহালতবিয়তে রয়েছেন। এতে করে কারা শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

প্রাপ্ত সূত্রে মতে, আওয়ামীলীগের দোসর এ জেল কর্মকর্তা  কারাবিধি না মেনে অবৈধ সুবিধা দিয়ে ফেনী-২ আসনের এমপি নিজাম হাজারীকে অনৈতিক ভাবে কারাগারে প্রবেশ করতে দেয়ায় ফেনীর তাকে প্রত্যাহার করা হয়। অন্যদিকে, খুলনা জেলা কারাগারে জেল সুপার থাকাকালিন বিএনপি  স্থানীয় একাধিক নেতাকে জেলে মধ্যে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মামলাও রয়েছে রয়েছে। 

মামলার বিষয়ে বাদী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও রূপসার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী) বলেন,  রফিক কাদেরসহ জেলার এ জি মাহমুদ ও ফার্মাসিস্ট আতাউর রহমান পারভেজ জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতাদের নির্দেশে পরিকল্পিত বিএনপি নেতা মনিরুল হাসানকে  জেলের মধ্যে নির্যাতন মাধ্যমে হত্যাচেষ্টা করে। নির্যাতন সহ্য না করতে পেরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এ নেতা আর্ট অ্যাটাক করেন । পরে বিষয়টি জানা হয়ে গেলে অবস্থা বেগতিক দেখে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে  ভর্তি করা হয়। পরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সহযোগীতায় ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে ওপেন হার্ট সার্জারি করানো হয়। তাই সেই রফিক কাদেরসহ তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টা করায় এই মামলা দায়ের করা হয়। 

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগে বলা হয়, ওয়ার্ড, বারান্দা, হাসপাতাল, সেল, কুশিয়ারা ও ডিভিশনে থাকার জন্য আলাদা আলাদা হারে টাকা আদায় করা হয়। এছাড়া ক্যান্টিন বরাদ্দ, পিসি বরাদ্দ, সিআইডি, সাক্ষাৎ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক সুবিধার ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করলে সংশ্লিষ্ট বন্দিদের অন্য কারাগারে বদলি (চালান) করা হয়।

এছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, জামিনে মুক্তির সময়ও অর্থ দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে নতুন মামলায় জড়ানোর ভয় দেখানো হয়। কারারক্ষীদের মাধ্যমে বিকাশে অর্থ লেনদেন এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বিনিময়ে টাকা আদায়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদেরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ কিংবা কারা অধিদপ্তরেরও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।গাজীপুর জেলা কারাগারে টাকার খেলা-১ 

জেল সুপার রফিক কাদেরের একক আধিপত্যে চলছে  গাজীপুর জেলা কারাগারে। কোনো ক্রমেই থামানো যাচ্ছে না তার দুর্নীতি ও অনিয়ম।  আওয়ামীলীগ ফ্যাসিবাদের সহযোগী এ জেল কর্মকর্তা বিরুদ্ধে রয়েছে নানা বির্তক। সম্প্রতি জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদেরের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বন্দিদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যা  বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কারাগারের বিভিন্ন সুবিধা পেতে বন্দিদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে অর্থ নেওয়া হচ্ছে। 

কিন্তু তিনি অবমুক্ত না হয়ে এখনও বহালতবিয়তে রয়েছেন। এতে করে কারা শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

প্রাপ্ত সূত্রে মতে, আওয়ামীলীগের দোসর এ জেল কর্মকর্তা  কারাবিধি না মেনে অবৈধ সুবিধা দিয়ে ফেনী-২ আসনের এমপি নিজাম হাজারীকে অনৈতিক ভাবে কারাগারে প্রবেশ করতে দেয়ায় ফেনীর তাকে প্রত্যাহার করা হয়। অন্যদিকে, খুলনা জেলা কারাগারে জেল সুপার থাকাকালিন বিএনপি  স্থানীয় একাধিক নেতাকে জেলে মধ্যে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মামলাও রয়েছে রয়েছে। 

মামলার বিষয়ে বাদী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও রূপসার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী) বলেন,  রফিক কাদেরসহ জেলার এ জি মাহমুদ ও ফার্মাসিস্ট আতাউর রহমান পারভেজ জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতাদের নির্দেশে পরিকল্পিত বিএনপি নেতা মনিরুল হাসানকে  জেলের মধ্যে নির্যাতন মাধ্যমে হত্যাচেষ্টা করে। নির্যাতন সহ্য না করতে পেরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এ নেতা আর্ট অ্যাটাক করেন । পরে বিষয়টি জানা হয়ে গেলে অবস্থা বেগতিক দেখে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে  ভর্তি করা হয়। পরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সহযোগীতায় ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে ওপেন হার্ট সার্জারি করানো হয়। তাই সেই রফিক কাদেরসহ তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টা করায় এই মামলা দায়ের করা হয়।  

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগে বলা হয়, ওয়ার্ড, বারান্দা, হাসপাতাল, সেল, কুশিয়ারা ও ডিভিশনে থাকার জন্য আলাদা আলাদা হারে টাকা আদায় করা হয়। এছাড়া ক্যান্টিন বরাদ্দ, পিসি বরাদ্দ, সিআইডি, সাক্ষাৎ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক সুবিধার ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করলে সংশ্লিষ্ট বন্দিদের অন্য কারাগারে বদলি (চালান) করা হয়।

এছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, জামিনে মুক্তির সময়ও অর্থ দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে নতুন মামলায় জড়ানোর ভয় দেখানো হয়। কারারক্ষীদের মাধ্যমে বিকাশে অর্থ লেনদেন এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বিনিময়ে টাকা আদায়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদেরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ কিংবা কারা অধিদপ্তরেরও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

SStv